Skip to content
আদিপুস্তক১৬

আদিপুস্তক ১৬

  1. আব্রামের স্ত্রী সারাই সন্তানের জন্ম দেননি। তাঁর একটি মিশরীয় দাসী ছিল, যার নাম হাগার।

  2. সারাই তাঁর স্বামীকে বললেন, “দেখুন, প্রভু আমাকে সন্তান জন্মাতে দেননি। আপনি আমার দাসীর কাছে যান; হয়তো তার মাধ্যমে আমি সন্তান পাব।” আব্রাম তাঁর অনুরোধে সম্মত হলেন।

  3. কানান দেশে আব্রামের বাস শুরু হওয়ার দশ বছর পরে, সারাই তাঁর মিশরীয় দাসী হাগারকে তাঁর স্বামী আব্রামের কাছে স্ত্রী হিসেবে দিলেন।

  4. আব্রাম হাগারের কাছে গেলেন, আর হাগার গর্ভ ধারণ করল। সে বুঝতে পারল যে সে গর্ভ বতী, তখন সে তার কর্ত্রীকে তু চ্ছ করতে লাগল।

  5. সারাই আব্রামকে বললেন, “আমার প্রতি যে অন্যায় হচ্ছে, তার দায় আপনার উপর। আমি আমার দাসীকে আপনার কোলে দিয়েছি, আর সে গর্ভ বতী দেখে আমাকে অবজ্ঞা করছে। প্রভু আমার ও আপনার মধ্যে বিচার করুন।”

  6. আব্রাম সারাইকে বললেন, “দেখো, তোমার দাসী তোমার হাতে আছে; তোমার চোখে যা ভালো মনে হয়, তাই করো।” সারাই তাকে কষ্ট দিলে হাগার তাঁর কাছ থেকে পালিয়ে গেল।

  7. প্রভু র দূত তাকে মরুভূ মিতে জলের ঝর্ণার কাছে পেলেন, শূর মরুভূ মির পথে।

  8. তিনি বললেন, “হাগার, সারাইয়ের দাসী, তু মি কোথা থেকে এসেছ এবং কোথায় যাচ্ছ?” সে উত্তর দিল, “আমি আমার কর্ত্রী সারাইয়ের কাছ থেকে পালাচ্ছি।”

  9. প্রভু র দূত তাকে বললেন, “তোমার কর্ত্রীর কাছে ফিরে যাও এবং তার অধীনে নিজেকে নম্র করো।”

  10. ১০তিনি আবার বললেন, “আমি তোমার বংশধরকে এত বৃদ্ধি করব যে তাদের সংখ্যা গণনা করা যাবে না।”

  11. ১১আরও বললেন, “দেখো, তু মি গর্ভ বতী; তু মি এক পুত্র জন্ম দেবে। তু মি তার নাম রাখবে ইশ্মায়েল, কারণ প্রভু তোমার দুঃখ শুনেছেন।”

  12. ১২“সে হবে অরণ্যের মানুষের মতো। তার হাত সবার বিরুদ্ধে থাকবে, আর সবার হাত তার বিরুদ্ধে থাকবে। সে তার সব ভাইদের অঞ্চল থেকে দূরে নিজের তাঁবু স্থাপন করবে।”

  13. ১৩তখন হাগার সেই প্রভু র নাম ডাকল যিনি তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন: “আপনি সেই ঈশ্বর, যিনি আমাকে দেখেছেন।” কারণ সে বলল, “আমি কি সত্যিই এখানে তাঁকে দেখলাম, যিনি আমাকে দেখেন?”

  14. ১৪এই কারণে সেই কূ পের নাম হল “যিনি বেঁচে আছেন এবং আমাকে দেখেন, তাঁর কূ প।” সেটি কাদেশ ও বেরেদের মাঝখানে।

  15. ১৫হাগার আব্রামের জন্য এক পুত্র জন্ম দিল। আব্রাম তার নাম রাখলেন ইশ্মায়েল।

  16. ১৬হাগার যখন আব্রামের জন্য ইশ্মায়েলকে জন্ম দিল, তখন আব্রামের বয়স ছিল ছিয়াশি বছর।