Skip to content
যোহন

যোহন

  1. ফরিশিদের মধ্যে নিকদেমাস নামে এক ব্যক্তি ছিলেন, তিনি যিহূদিগণের এক জন অধ্যক্ষ।

  2. তিনি রাত্রিকালে যীশুর কাছে এসে তাঁকে বললেন, রব্বি, আমরা জানি, আপনি ঈশ্বরের নিকট থেকে আগত গুরু; কারণ আপনি এই যে সকল চিহ্নকার্য করছেন, ঈশ্বর সঙ্গে না থাকলে কেহ তা করতে পারে না।

  3. যীশু উত্তর করে তাঁকে বললেন, সত্য, সত্য, আমি তোমাকে বলছি, কেহ নূতন জন্ম না পেলে ঈশ্বরের রাজ্য দেখতে পায় না।

  4. নিকদেমাস তাঁকে বললেন, মনুষ্য বৃদ্ধ হলে কেমন করে জন্মাতে পারে? সে কি দ্বিতীয় বার মাতার গর্ভে প্রবেশ করে জন্মাতে পারে?

  5. যীশু উত্তর করলেন, সত্য, সত্য, আমি তোমাকে বলছি, কেহ জল ও আত্মা থেকে না জন্মালে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারে না।

  6. মাংস থেকে যা জন্ম, তা মাংস; এবং আত্মা থেকে যা জন্ম, তা আত্মা।

  7. আমি যে তোমাকে বললাম, ‘তোমাদিগকে নূতন জন্ম পেতে হবে,’ এ আশ্চর্য্য জ্ঞান করো না।

  8. বায়ু যে দিকে ইচ্ছা, সে দিকে বহে; আর তুমি তার শব্দ শুনিতে পাও, কিন্তু কোথা থেকে আসে, ও কোথায় যায়, তা জান না; আত্মা থেকে জাত প্রত্যেক জন সেইরূপ।

  9. কারণ ঈশ্বর জগৎকে এমন প্রেম করলেন যে, নিজের একজাত পুত্রকে দান করলেন, যেন, যে কেহ তাঁতে বিশ্বাস করে, সে বিনষ্ট না হয়, কিন্তু অনন্ত জীবন পায়।

  10. ১০কারণ ঈশ্বর জগতের বিচার করবার জন্য পুত্রকে জগতে প্রেরণ করেন নেই, কিন্তু জগৎ যেন তাঁর দ্বারা পরিত্রাণ পায়।